Posts

Showing posts with the label শিক্ষণীয় গল্প

₪ তুমি যা বিশ্বাস করতে শেখো একদিন তুমি তাই হয়ে উঠবে। [post no:-15]

Image
বিশাল এক পাহাড়ের উপরে এক ঈগল বাসা বানিয়েছিলো। ঈগলের বাসায় ছিলো তার পাড়া দুইটি ডিম। প্রতিদিন সকালে সে এগুলো রেখে খাবারের খোঁজে উড়ে যেত বাইরে। একদিন ঈগল যখন বাসার বাইরে ছিলো তখন ভূমিকম্পে গোটা পাহাড়টাই নড়ে উঠলো। এতে ঈগলের একটি ডিম বাসা থেকে ছিটকে পড়ে গেল। গড়াতে গড়াতে সেই ডিম এসে পড়লো পাহাড়ের নিচে এক মুরগীর বাসার সামনে। মুরগী ডিমটিকে নিজের বাসায় নিয়ে এলো, অন্যান্য ডিমের সাথে রাখল। যত্ন করে তাতে তা দিতে থাকলো। একদিন সেই ডিম ফুটে ঈগলের একটি সুন্দর বাচ্চাও বের হলো। মুরগীর বাচ্চাদের সাথেই ঈগলের বাচ্চাটি বড় হয়ে উঠতে লাগলো। আকাশে একদিন ঈগলের ঝাঁককে উড়ে যেতে দেখে সে অন্য মুরগীদের বললো, ‘ইস, আমিও যদি তাদের মত উড়ে বেড়াতে পারতাম!’ এক মুরগী হেসে উত্তর দিলো, ‘তুমি কিভাবে উড়বে? তুমি তো মুরগী এবং মুরগী কখনো উড়ে না।’ ঈগল মাঝে মাঝেই ঈগলের ঝাঁক উড়ে বেড়াতে দেখতো এবং স্বপ্ন দেখতো সেও তাদের মতই উড়ে বেড়াবে। কিন্তু প্রতিবার সে তার স্বপ্নের কথা জানালে মুরগীরা বলতো যে এটা একেবারেই অসম্ভব। মুরগীর এই কথাটিই ঈগল বিশ্বাস করতে শিখলো এবং তার জীবনটা বাকী মুরগীদের মতই কাটিয়ে দিলো। অনেক দিন এভাবে কাটানোর পর একদি...

ভ্যালেন্টাইন ডে [post no:-12]

Image
                               ভ্যালেন্টাইন ডে গল্পটা আমার এক বন্ধুকে নিয়ে। কাল ১৪ই ফেব্রুয়ারি।বিশ্বভালোবাসা দিবস।  বিকাল বেলায় আমি আর আমার বন্ধু মেহেদি , কলেজ মাঠে বসে আছি। --- দোস্ত আমাকে ৫০০০ টাকা দিস তো বিকালে।( মেহেদি) --- টাকা চাইতে হবে কেনো? আমার বিকাশের পাসওয়ার্ড জানিস না? তুলে নিস। (আমি) --- দোস্ত তুই আমার খুব বড় একটা উপকার করলি রে। (মেহেদি) --- আরে এইটা কোনো বিষয় হলো। তো কি এমন জরুরি দরকার তোর ? কি করবি টাকা দিয়ে? (আমি) --- কালকে ভেলেন্টাইনস ডে না? রিয়া কে নিয়ে ঘুরতে যাবো। অনেক কষ্ট রাজি করিয়েছি ওকে। ৪ বছর ধরে আমাদের প্রেম অথচ এতদিনে একটা কিস পর্যন্ত করতে দেয়নি। এইবার বুজবো মজা। কালকের দিনটা আমি ওর কাছ থেকে চেয়ে নিয়েছি। অনেক কষ্ট করে ম্যানেজ করেছি। যা করার কালকেই করতে হবে। এইটাই সুযোগ।(মেহেদি) --- কি বলিস এইগুলা? আচ্ছা একটা সত্য কথা বলতো। তুই কি সত্যি রিয়া কে বিয়ে করবি? (আমি) --- হাহাহা। কি যে বলিস না। কালকের পর থেকে ওর সাথে আমার কোনো সম্পর্কই থাকবেনা। শুধু কালকের দিনটার জন্য অ...

এক চালাক ব্যক্তি [ post no: 11 ]

Image
 এক চালাক ব্যক্তি কয়েকজন লোকের উদ্দেশ্যে একটি মজার জোকস বললেন।এটি শুনে সবাই পাগলের মতো হাসতে লাগলো। কিছুক্ষন পর লোকটি সবার উদ্দেশ্যে আবার সেই একই জোকসটি বললেন।এবারও তাদের মধ্যে কয়েকজন লোক হাসলেন ও বাকীদের আর হাসি আসলো না। এরপর সেই চালাক ব্যক্তি একই জোকস বার বার বলতে লাগলেন। শেষে এমন অবস্থা হলো সে বার বার একই জোকস শুনে হাসার মতো আর কেউ থাকলো না। এবার তিনি মুচকি হাসলেন এবং সবার উদ্দেশ্যে বললেন, দেখো। তোমরা একই জোকস শুনে বার বার হাসতে পারো না। তাহলে কেন তোমরা জীবনে পাওয়া কোন একটা কষ্টের জন্যে দিনের দিন কাঁদতে থাকো? ______________ (সংগ্রহীত) 

বয়স্ক রাজমিস্ত্রী [ post no: 10 ]

Image
একজন বয়স্ক রাজমিস্ত্রী তার কাজ থেকে অবসর নিতে চাইলো। তাই সে তার মালিকের কাছে গিয়ে বললো,’বস,আমি এই বাড়ি বানানোর কাজ থেকে অবসর নিয়ে আমার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের সাথে সময় কাটাতে চাই।‘ তার মালিক এতে কিছুটা দুঃখ পেল কারন সে ছিলো সবচেয়ে দক্ষ ও কর্মঠ রাজমিস্ত্রী। সে বললো,'ঠিক আছে,কিন্তু তুমি কি চলে যাওয়ার আগে আর একটি মাত্র বাড়ি বানাতে আমাদের সাহায্য করবে?’ বয়স্ক রাজমিস্ত্রী এই প্রস্তাবে স্বানন্দে রাজী হয়ে গেল। কিন্তু কাজ শুরু করার পর দেখা গেল তার মন সেখানে ছিল না এবং সে সবসময় তার অবসরের কথা ভেবে অন্যমনস্ক থাকতো। সবসময় সে বাড়ির চিন্তা করতো।তাই এর আগে যত কাজ সে করেছিলো এই কাজটাই তার করা সবচেয়ে খারাপ কাজ হয়ে গেল। যখন সে বাড়িটি তৈরী করা শেষ করলো তখন তার মালিক বাড়িটি দেখতে এলো এবং বৃদ্ধের হাতে বাড়ির চাবি দিয়ে বললো,’এটা এখন থেকে তোমার বাড়ি,তোমার প্রতি আমার উপহার।' এই কথা শুনে বৃ্দ্ধ আফসোস করে উঠলো! সে মনে মনে ভাবলো,'হায় হায়!যদি আমি শুধু একবার জানতাম যে আমি আমার নিজের বাড়ি তৈরী করছি! তাহলে এটা আমার জীবনে করা সবচেয়ে ভাল কাজ হতো!' বাস্তবেও আমরা প্রতিটা দিন আমাদের জীবনকে এই ...

রাগ

Image
ছোট্ট এক ছেলে ছিলো প্রচন্ড রাগী। তাই দেখে বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বললো যে, যতবার তুমি রেগে যাবে ততবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। প্রথমদিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলো। .... পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারে তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে এলো। সে বুঝতে পারলো হাতুড়ী দিয়ে কাঠ বেড়ায় পেরেক বসানোর চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রন করা অনেক বেশি সহজ। শেষ পর্যন্ত সেই দিনটি এলো যেদিন তাকে একটি পেরেকও মারতে হলো না। সে তার বাবাকে এই কথা জানালো। তারা বাবা তাকে বললো এখন তুমি যেসব দিনে তোমার রাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন করতে পারবে.... সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলো। অনেক দিন চলে গেল এবং ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জানালো যে সব পেরেকই সে খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেল এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললো.. 'তুমি খুব ভাল ভাবে তোমার কাজ সম্পন্ন করেছো,এখন তুমি তোমার রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে পারো কিন্তু দেখো, প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্ত গুলো এখনো রয়ে গিয়েছে। কাঠের বেড়াটি ক...

মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার

Image
মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন "'আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।" আমার প্রথম ইচ্ছা হচ্ছে, "শুধু আমার চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন করবেন।" আমার ২য় ইচ্ছা হচ্ছে, " আমার কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্থানে যাবে সেই পথে আমার অর্জিত সোনা ও রুপা ছড়িয়ে থাকবে।" আর শেষ ইচ্ছা হচ্ছে, "কফিন বহনের সময় আমার দুইহাত কফিনের বাইরে ঝুলে থাকবে।' তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই বিচিত্র অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন। দীর্ঘ শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, 'আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই। ১. আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে এই কারনে বলেছি যে যাতে লোকে অনুধাবন করতে পারে যে চিকিৎসকেরা কোন মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারে না। তারা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর থাবা থেকে রক্ষা করতে অক্ষম।' ২. গোরস্হানের পথে সোনা- দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য যে সোনা-দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না।এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে পারছি না।মানুষ বুঝুক এসবের পেছনে ছোটা স...

ববা ছেলের গল্প

            ববা ছেলের গল্প  একবার এক বাবা নিজের ছেলের সাথে দেখা করতে শহরে এল। গিয়ে দেখলো, তার ছেলের সাথে একটা খুব সুন্দরী মেয়েও থাকে। রাতে তিন জন যখন এক সাথে ডিনার টেবিলে বসলো, বাবা জিজ্ঞেস করলো-- বাবা :- তোর সাথে এই মেয়েটি কে রে ? ছেলে :- বাবা, ও আমার রুম পার্টনার, আমার সাথে থাকে।তুমি এটা নিয়ে কী ভাবছ, সেটা আমি জানি।কিন্তু আমাদের দুজনের মধ্যে সে রকম কোন সম্পর্কই নেই।আমাদের দুজনের আলাদা আলাদা কামরা, আলাদা আলাদা বেড | আমরা দু'জন শুধু খুব ভাল বন্ধু। বাবা :- ঠিক আছে। পরের দিন বাবা নিজের গ্রামে চলে গেল এক সপ্তাহ পর... মেয়েটি ছেলেটিকে বলল -- মেয়ে :- শোনো, গত রবিবার তোমার বাবা যে প্লেটে ডিনার করেছিলেন, ওই প্লেটটা খুঁজে পাচ্ছি না, আমার সন্দেহ।তোমার বাবাই এটা নিয়ে গেছেন। ছেলেটি রেগে গিয়ে বলল-- ছেলে :- শাট আপ এসব কী কথা, তুমি কি আমার বাবাকে চোর বলছো ? মেয়ে:-- তা না | কিন্তু, তুমি একবার তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করেই দেখো না, জিজ্ঞেস করতে আপত্তি কিসের? ছেলে:- OK, আমি জিজ্ঞেস করব... পরদিন ছেলে বাবাকে একটা ই-মেল পাঠালো..তাতে লিখলো-- আ...

ডিপ্রেশন

Image
                                    ডিপ্রেশন তোমরা যারা ডিপ্রেশনে মরে যাও, তারা আসলে জানোই না ডিপ্রেশন ব্যপারটা আসলে কি! ডিপ্রেশন শব্দটা বলতে এবং শুনতে একটু স্টান্ডার্ড লাগে তাই বলো। তোমরা যারা আজকাল ইনসোমনিয়াতে ভুগতেছো, তারা আসলে না বুঝেই ভুগতেছো। রাত ৪ টা পর্যন্ত জেগে থাকা আর ইনসোমনিয়া যে এক জিনিস না, এটা বুঝতে পারো না। এই বয়সটাই এমন। মাঝে মাঝে কিচ্ছু ভালো লাগবেনা। কাউরে সহ্য হবেনা। ছোটখাটো অপ্রাপ্তিতে মরে যেতে ইচ্ছে হবে। নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে হবে। নিজের কাছে নিজের কোন গুরুত্ব থাকবে না। কেউ বিশ্বাস ভাংলে মনে হবে, "আমার সাথেই কেন এমন হয়"? মাঝে মাঝে মন খারাপ হবে এই ভেবে যে, "আমাকে কেউ ভালোবাসে না, আমার আপন বলতে কেউ নাই, আমি একা, ব্লা ব্লা ব্লা"! যখন আরেকটু বড় হইবা, তখন এইসব চিন্তা ভাবনা গুলো আর থাকবে না। একদিন আজকের কথাগুলো মনে হবে, একদিন ম্যাচিউরিটি বাড়বে, একদিন তুমি পুরাতন স্মৃতি মনে করে নিজে নিজে হাসবা, একটা সময় যার জন্য মরে যেতে চাইছো, তার কথা মনে করে বলবা "কি বোকাটাই না ছ...